৭০ সচিবসহ ১০৬ জনের সদস্যপদ স্থগিত

৭০ জন সচিব সহ ১০৬ জনের সদস্য পদ স্থগিত

  • আপডেট টাইম : February 19 2025, 13:56
  • 53 বার পঠিত

ঢাকা থেকে মনিরুল ইসলাম :

সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সংগঠন ‘অফিসার্স ক্লাব’ ঢাকার ১০৬ জনের সদস্যপদ স্থগিত করেছে বর্তমান কমিটি। তাদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিবসহ ৭০ জন সচিব রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর, সাবেক সংসদ সদস্য ও পুলিশের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অফিসার্স ক্লাবকে রাজনৈতিক আখড়ায় পরিণত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় তাদের সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি তা কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। সদস্যপদ স্থগিত হওয়াদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান। তিনি কালবেলাকে বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই সদস্যপদ স্থগিতের বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু আমাদের কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি। আমাদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আছে, সে বিষয়েও ক্লাব কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়নি। এটি অন্যায় সিদ্ধান্ত।

তিনি আরও বলেন, আমি ক্লাবের তিনবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। অথচ বিনা কারণে আমার সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে।

অফিসার্স ক্লাবের চেয়ারম্যান ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদের বক্তব্যের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

সদস্যপদ স্থগিতের তালিকায় আছেন সদ্য সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার, সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, সাবেক মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, সাবেক মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, সাবেক জনপ্রশাসন সচিব আব্দুস সোবহান সিকদার, সাবেক সচিব ইকবাল মাহমুদ, সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন তালুকদার, সাবেক সচিব নাসিমা বেগম, সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, সাবেক সচিব ও এমপি ড. মোহাম্মদ সাদিক, সাবেক সচিব ও দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, মমিনুন্নেছা মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহের অধ্যক্ষ কাজী কাইয়ুম শিশির, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, ডিএমপির সাবেক কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক, ডিএমপির সাবেক কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, সাবেক এসপি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক সচিব ও মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, সাবেক সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রাহমাতুল মুনিম, সাবেক সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, সাবেক সচিব সাজ্জাদুল হাসান, সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, সাবেক সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, সাবেক সচিব আবদুল মান্নান, সাবেক সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, সাবেক সচিব আবদুল মান্নান হাওলাদার, সাবেক সচিব ওয়াহিদা আক্তার, সাবেক সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সচিব মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারী, সাবেক সচিব মো. মহিবুল হক, সাবেক সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সচিব এম এ এন সিদ্দিক, সাবেক সচিব শাহজাহান আলী মোল্লা, সাবেক সচিব ইকবাল খান চৌধুরী, সাবেক সচিব শ্যামল কান্তি ঘোষ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনছার আলী খান, সাবেক সচিব বরুণ দেব মিত্র, সাবেক সচিব মরতুজা আহমদ, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, সাবেক সচিব ড. খোন্দকার শওকত হোসেন, সাবেক সচিব সুরাইয়া বেগম, সাবেক সচিব ড. এম. আসলাম আলম, সাবেক সচিব মো. নিয়াজ উদ্দিন মিঞা, সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান, সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, সাবেক সচিব আবদুল মালেক, সাবেক সচিব জিল্লার রহমান, সাবেক সচিব ইব্রাহীম হোসেন খান, সাবেক সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সাবেক সচিব পবন চৌধুরী, সাবেক সচিব অপরূপ চৌধুরী, সাবেক সচিব শামসুদ্দিন আজাদ চৌধুরী, সাবেক সচিব আখতারী মমতাজ, সাবেক সচিব শাহ কামাল, সাবেক সচিব প্রশান্ত কুমার রায়, সাবেক সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, সাবেক সচিব মেজবাহ উদ্দিন, সাবেক সচিব ও উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, সাবেক সচিব ও উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. মো. হারুন-অর-রশিদ বিশ্বাস, সাবেক মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সচিব এ. এস. এম. মামুনুর রহমান খলিলী, নাটোরের সাবেক ডিসি আবু নাছের ভূঞা, সাবেক জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমদ, সিএমপির সাবেক কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, সাবেক ডিআইজি বিনয় কৃষ্ণ বালা, সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান, সাবেক ডিসি মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমান, সাবেক সচিব জাফর আহমদ খান, সাবেক মো. আখতার হোসেন, সাবেক সচিব খান মো. বেলায়েত হোসেন, সাবেক সচিব ও এমপি সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, সাবেক সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সচিব মো. আবুল মনসুর, সাবেক আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, সাবেক জনপ্রশাসন সচিব কে. এম. আলী আজম, সাবেক পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক সচিব অশোক মাধব রায়, সাবেক সচিব নাছিমা বেগম, সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার, ডিবি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, উপ কর কমিশনার মহিদুল ইসলাম, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মেহনাজ মোশারফ, সহকারী কর কমিশনার লিংকন রায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোবাশ্বেরা হাবিব খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের রেজিস্ট্রার গাইনি ডা. লায়লা খায়রুন নাহার, স্থাপত্য অধিদপ্তরের সহকারী স্থপতি ইফতেখারুল আমিন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার (মেডিসিন) ডা. যোবায়ের আনম চৌধুরী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. ওয়ালিদ বিন কাশেম, সহকারী পুলিশ কমিশনার সচিব মো. শিবলী নোমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিলা তাবাসসুম, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী সৈয়দ এনাম রেজা, সহকারী এ্যরোডম কর্মকর্তা মাহমুদুল হক সৈকত, সাবেক এপিডি মো. নাজমুছ সাদাত সেলিম, সাবেক জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসূফ হারুন এবং সাবেক সচিব মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত।

চট্টগ্রাম নগর, উত্তর এবং দক্ষিণে ঘোষণা করা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি, যা একপক্ষীয় বলে দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের সমন্বয়কদের একাংশ। তাদের দাবি—চব্বিশের স্পিরিটে সঙ্গে বেইমানি করা হয়েছে। পাশাপাশি কমিটিতে ব্যবসায়ী, নারী হেনস্তায় অভিযুক্ত এবং কিশোর গ্যাং ও ডট গ্যাংয়ের সদস্যদের স্থান দেওয়া হয়েছে। তাই এই তিন কমিটি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এসব কমিটি থেকে বেশ কয়েকজন সমন্বয়ক পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। পদত্যাগের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে জানা না গেলেও
৭০থেকে ১২০ জন হতে পারে বলে ধারণা দিয়েছেন তারা।

গতকাল মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে এসব কমিটি বাতিলের দাবি জানানো হয়। পরে সড়ক অবরোধ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাংশ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে গণপদযাত্রা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক পক্ষ। যে কারণে সড়কে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে পড়ে নগরের মানুষ।

গত সোমবার রাতে ছয় মাসের জন্য ৩১৫ জনকে নিয়ে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর এবং দক্ষিণ জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সদস্য সচিব আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরের এই নতুন কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজাউর রহমানকে।

এই কমিটি গঠনের পরপরই ফুঁসে উঠেছেন চট্টগ্রামের সমন্বয়কদের একাংশ। তাদের অনেকেই কমিটি বয়কট করে পদত্যাগ করেন। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকায় থাকা যোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস বিকৃত করে কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখান থেকে জানানো হয়, তিনটি কমিটি থেকে অর্ধশতাধিক সদস্য পদত্যাগ করেছেন এবং ওই কমিটিগুলোকে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় তিন দফা দাবি জানান তারা। তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে অবরোধ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করার পর দুপুর থেকে চট্টগ্রামের ইস্পাহানি মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

সড়ক অবরোধের কারণে লালখান বাজার, টাইগার পাস, ওয়াসা মোড় এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে অনুরোধ করে একপাশের রাস্তা খুলে দিলে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়।

বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে সতীর্থদের ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলেছেন সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামে উদ্ভূত পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যার আগে করা না হলে আমি এবং সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সহযোদ্ধাসহ এই প্ল্যাটফর্ম থেকে সরে যেতে বাধ্য হবো।’

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম মহানগরের নতুন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সিয়াম ইলাহী বলেন, যাদের বিরুদ্ধে নারী সংগঠককে হেনস্তা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, তাদের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। সাড়ে চার মাস ধরে অভিযোগের তদন্তের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে। উল্টো অভিযুক্তদের কমিটির আহ্বায়ক বানিয়ে শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হলো।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক যোবায়ের আলম মানিক বলেন, সম্মুখসারির যোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এরই মধ্যে ঘোষিত কমিটির শখানেক নেতা পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। ছাত্রলীগের কর্মীদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। আজকের (মঙ্গলবার) মধ্যে বিষয়টি সুরাহা করা না হলে রাজপথেই এমন অপমানের শোধ নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, রিজাউর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ফাঁস হয়েছে মাসখানেক আগে। ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক হান্নান মাসুদকে অবরুদ্ধ করে আন্দোলনে আহতদের ওপর হামলাও করেছিল রিজাউরের নেতৃত্বে থাকা ‘ডট গ্যাং’। তাকেই চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। রিজাউরের আরেক সহযোগী আরেফিনকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহ্বায়ক করা হয়েছে। দক্ষিণ জেলা কমিটির আহ্বায়ক আরেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়কের বন্ধু কোটায় পদ পেয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রিদুয়ান সিদ্দিকী, সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নাফিজা সুলতানা অমি, আবদুর রহমান, আবুল বশির নাইম, ওমর ফারুক নয়নসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৮ জন সমন্বয়ক। এ ছাড়া আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলার মুখ্য সংগঠকসহ নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া অনেকেই।

এদিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে গণ-পদযাত্রা করেছে আরেকটি পক্ষ। তারা প্রথমে ২ নম্বর গেট বিপ্লব উদ্যানে জড়ো হন। সেখান থেকে জিইসি, ওয়াসা হয়ে কাজীর দেউড়িতে এসে পথসভা করেন। সেখানে বক্তব্য দেন মহানগরের নতুন কমিটির আহ্বায়ক রিজাউর রহমান, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব রাশেদুল আলম, মুখ্য সংগঠক তাওসিফ ইমরোজ, মাহফুজুর রহমান, মুখপাত্র চট্টগ্রাম কলেজের ফাতেমা খানম লিজা প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগকে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষিদ্ধ করতে হবে। না হলে আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও করব। সমাজে এখনো লেবাসধারী অনেক আওয়ামী লীগের দোসর রয়ে গেছে। এদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে

0Shares
এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
February 2025
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
0Shares